জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত খানজাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়ে ৪ বছর মেয়াদী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/অনার্স (প্রফেশনাল) কোর্স সমূহঃ

বি.বি.এ
(ব্যাচেলর অব বিজনেস এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন)
সি.এস.ই
(কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং)
ই.সি.ই
(ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং)



Abdul Hamid
Chancellor
National University


Professor Dr. Harun-or-Rashid
Vice-Chancellor
National University


বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অধিভূক্ত (i) খানজাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয় (ii) খানজাহান আলী কৃষি কলেজ (iii) খুলনা মেডিকেল ইন্সটিটিউট -এ ৪ বছর মেয়াদী মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং/ টেক্সটাইল/ এগ্রিকালচার/ মেডিকেল কোর্স সমূহঃ

♦ ইলেকট্রো মেডিকেল ♦ রেফ্রিজারেশন ♦ শিপ বিল্ডিং ♦ অটোমোবাইল ♦ ফুড ♦ আর্কিটেকচার ♦ ট্যুরিজম ♦ ইলেকট্রনিক্স ♦ গার্মেন্টস
♦ জুট ♦ কম্পিউটার ♦ মেকানিক্যাল ♦ ইলেকট্রিক্যাল ♦ সিভিল ♦ মেরিন ♦ টেক্সটাইল ♦ এগ্রিকালচার ♦ ফিসারিজ
♦ ফার্মেসী ♦ ডেন্টাল
♦ নার্সিং
♦ ল্যাবরেটরী (প্যাথলজী)


ডাঃ দীপু মনি
মাননীয় মন্ত্রী
শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মহিবুল হাসান চৌধুরী
মাননীয় উপমন্ত্রী
শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ
সচিব
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ

ড. মোঃ মোরাদ হোসেন মোল্ল্যা
চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

খানজাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়-এর সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ


ভূমিকাঃ

বিভাগীয় শহর খুলনার ৯৩, মুজগুন্নী আ/এ, বয়রাতে খানজাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়ের ৭ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টি নন্দন অত্যাধুনিক নিজস্ব ভবনে সম্পূর্ন রাজনীতি ও ধুমপান মুক্ত মনোরম পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অধিভুক্ত বিভিন্ন মেয়াদের কোর্স সমূহে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩,০০০ (তিন হাজার) জন। এ সকল শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার জন্যে মুজগুন্নী আ/এ, কে-১, প্লটে নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাব, ওয়ার্কশপ ও অডিটোরিয়াম এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিস্তৃত খেলার মাঠ। সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত অত্র মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য রয়েছে Wi-Fi, ডিজিটাল ল্যাব, পৃথক আবাসন এবং ভালো ফলাফলের জন্য স্পেশাল কেয়ার সুবিধা।

বৃত্তি ও বিশেষ সুবিধাঃ

২০১১ ইং সাল থেকে অত্র মহাবিদ্যালয়ের ১০০% ছাত্রী এবং ৫০% ছাত্র মাসিক ৮০০/- টাকা হারে STEP কর্তৃক বৃত্তি প্রাপ্ত হচ্ছে। এ ছাড়া, চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় সকলে অত্র মহাবিদ্যালয়ের Job Placement Cell এর মাধ্যমে চাকুরীতে যোগদান, Higher Education Help Desk এর সহায়তায় DUET, BUET সহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং Industrialization Consultation Corner-এর পরামর্শে উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে।


STEP এর সহায়তায় অত্র মহাবিদ্যালয় কর্তৃক কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য সাফল্য সমূহঃ

  • সম্প্রতি ২.৭২ কোটি টাকায় ল্যাব ও ওয়ার্কশপের যন্ত্রপাতি এবং কনফারেন্স রুমসহ বিভিন্ন ক্লাস রুমের সাউন্ড সিস্টেম, সকল রুমের জন্য এসি ও স্মার্ট বোর্ড ক্রয় করা হয়েছে।
  • জব ফেয়ার-২০১৮ অনুষ্ঠানে তাৎক্ষনিকভাবে পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে ৪০ জনকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী প্রদানসহ Memorandum of understanding (MOU) এর মাধ্যমে পাশকৃত বাকী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের চাকুরী ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্রেনিং ও ট্যুরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  • স্কিলস্ কম্পিটিশন-২০১৮ অনুষ্ঠানে খুলনা অঞ্চলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
  • চীনে সরকারী স্কলারশীপে ০৬ (ছয়) জন শিক্ষার্থীর অধ্যায়নের সুযোগ পেয়েছে।

সমৃদ্ধির লক্ষ্যেঃ

সাধারণ শিক্ষার ন্যায় কারিগরি শিক্ষায় যেন কোন ক্রমেই বেকারত্ব সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যেই বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় স্কিলস্ এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (STEP) এর মাধ্যমে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ১০০% কর্মমুখী করার লক্ষ্যে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পাশাপাশি শিল্প কারখানার অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দ্বারা বাস্তবমুখী শিক্ষা, সৃজনী মেধার বহিঃ প্রকাশের লক্ষ্যে উদ্ভাবনী মেলা, স্কলারশীপে বিদেশে অধ্যয়নসহ জব ফেয়ারের মত নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ক) গেস্ট স্পিকারের মাধ্যমে শিক্ষাদানঃ

শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অভিজ্ঞ প্রকৌশলী (গেস্ট স্পিকার) দ্বারা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও তার ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়। অর্জিত শিক্ষা পরবর্তীতে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

খ) শিল্পকারখানা পরিদর্শনঃ

শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পকারখানা বার বার পরিদর্শনের দ্বারা স্ব-স্ব বিষয়ের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী কর্তৃক আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা প্রাপ্ত হয়। যা পরবর্তীতে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হতে সহায়ক হিসাবে কাজ করে।

গ) সৃজনশীল মেধার বহিঃ প্রকাশঃ

বিজ্ঞান মেলা, স্কিলস কম্পিটিশন, ডিজিটাল মেলা ও উদ্ভাবনী মেলায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে স্ব-স্ব টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী যন্ত্রপাতি জনসম্মুখে তুলে ধরে সৃজনশীল মেধার বহিঃ প্রকাশ করে থাকে। এক পর্যায়ে উক্ত শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবক হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্ব উন্নয়নের মূল হাতিয়ার।

ঘ) স্কলারশীপে অধ্যয়নঃ

সরকারের STEP প্রজেক্টের সহায়তায় ৩০ জুন ২০১৮ ইং তারিখে চীনের Jiangsu Food and Pharmaceutical Science College -এ স্কলারশীপে ৬ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নের সুযোগ পায়।

ঙ) জব ফেয়ারঃ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথে Job Placement Cell এর সহযোগিতায় এবং জব ফেয়ারের মাধ্যমে সকলের চাকুরী নিশ্চয়ন করা হয়।

শিক্ষকদের দেশে বিদেশে ট্রেনিংঃ

তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাসের গুনগতমান উন্নয়ন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা দানের লক্ষ্যে সরকারি সহায়তায় ২০১৭ সাল থেকে Nanyang Polytechnic International (NYPI)- সিঙ্গাপুর থেকে Inovation In Tecaching & Learning এর উপর এবং ঢাকার TTTC, BITAC ও IUT- ঢাকা থেকে প্যাডাগোজিক্যাল, পিএলসি, অটোক্যাড, অটোমোবাইল, মেশিনশপ, Gear & Sprocket Mannufacture এবং Cyber Security & Ethics এর উপর শিক্ষকবৃন্দ ট্রেনিং গ্রহণ করে।

In-House-Training

একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে In-House-Training এর গুরুত্ব অপরিসীম। অত্র মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তাদের জন্য সরকারি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ দ্বারা নিজস্ব ভেন্যুতে ট্রেনিং সমূহ পরিচালিত হয়ে থাকে।

সেমিনার/ওয়ার্কশপঃ

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন পেশার লোকদেরকে কারিগরি শিক্ষা তথা ‘স্ব-নির্ভরতায় প্রযুক্তিগত শিক্ষা’ স্লোগানের উপর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে Awareness Seminar সহ বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্কশপ করা হয়।

ওরিয়েন্টেশনঃ

প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে প্রতি বছর নবাগত ছাত্র/ছাত্রীদের ওরিয়েন্টেশন ও কলেজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশ বরন্য আলোকিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থেকে ছাত্র/ছাত্রীদের উৎসাহ যোগায়।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস এবং জাতীয় উৎসব পালনঃ

সকল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায়, উৎসব মুখর পরিবেশে, জাতীয় উৎসব এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব যেমনঃ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী, স্বরস্বতী পূজা, এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী আলোচনা সভাসহ শিক্ষা সফর ও বাৎসরিক বনভোজন আয়োজন করা হয়।

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানঃ

শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদনেরও প্রয়োজন হয়, সে লক্ষ্যে প্রতি বছর আন্তঃ কলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক মিলন মেলাঃ

ছাত্র/ছাত্রীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নের জন্য প্রতি বছর অভিভাবক ও শিক্ষক মত বিনিময় বা মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।